সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল

কাজ অনুপাতে বিল পায়নি পিআইসি থমকে আছে বাঁধের কাজ

  • আপলোড সময় : ০২-০৩-২০২৬ ১০:৩৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৩-২০২৬ ১০:৩৬:৩৯ পূর্বাহ্ন
কাজ অনুপাতে বিল পায়নি পিআইসি থমকে আছে বাঁধের কাজ
স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের হাওরে কাজ অনুপাতে বিল না পাওয়ায় হাওরের বোরো ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ থমকে আছে। কিছু পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) কাজ করছেনা। পানি উন্নয়ন বোর্ড কিছু বিল দিতে চাইলেও অনেক পিআইসি অল্প বিল নিতে চাচ্ছেনা। এতে কাজ আদায় করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। দিরাই ও শাল্লা উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পিআইসি’র লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ৩২ ভাগ অর্থ পাওয়া গেছে। পিআইসি ও পাউবোর দাবি কাজ হয়েছে ৭০ ভাগের বেশি। কিন্তু কাজ অনুপাতে বিল না পাওয়ায় এখন কাজ শেষ করতে চাচ্ছেন না পিআইসির লোকজন। সংশ্লিষ্টরা পিআইসিদের কাজ শেষ করার নির্দেশনা দিলেও তাদের অনেকেই মানছেন না বলে জানা গেছে। শাল্লা উপজেলার ছায়ার হাওরের ৫৫ নং প্রকল্পের সভাপতি আকরাম আলী বলেন, আমরা ৭৫ ভাগের বেশি কাজ শেষ করে ফেলেছি। কিন্তু বিল পাইনি ৩০ ভাগও। এখন টাকার অভাবে বাকি কাজ করতে পারছিনা। টাকা না পাওয়ায় অনেক পিআইসি কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। একই হাওরের ২৩ নং পিআইসির সভাপতি রঞ্জিত দাশ বলেন, পাউবো ও প্রশাসনের তাড়ায় আমরা কাজের ৮০ ভাগ শেষ করে ফেলেছি। টাকা সুদে এনে বিল দিয়েছি। কিন্তু আমরা সরকারি বিল ৩০ ভাগও পাইনি। বাকি কাজ শেষ করতে তাড়া দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমাদের হাতে টাকা নেই। তাই অনেকেই কাজ অসমাপ্ত রেখে দিয়েছে। শাল্লা উপজেলা কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. একরামুল হোসেন বলেন, বেশিরভাগ পিআইসি কাজ অসমাপ্ত কাজ ফেলে রেখেছে। তারা ঋণ করে পিআইসির শ্রমিক ও মেশিনের বিল পরিশোধ করেছে। কিন্তু সরকারি বিল ৩০ ভাগও পায়নি। অনেককে কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য অল্প বিল দিতে চাইলে তারা এই বিল নিতে চাচ্ছেন না। তারা কাজ অনুপাতে বিল চান। এখন বিল না দেওয়া হলে কাজ এগুনো কঠিন। তাছাড়া মওসুমে এখন যে কোনও সময় বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে। এতে কৃষকের ফসল ঝুঁকিতে পড়বে। দিরাই উপজেলা পাউবোর এসও আব্দুল কাইয়ুম বলেন, মাত্র ৩২ ভাগ বরাদ্দ আমরা পেয়েছি। অনেক পিআইসি যতসামান্য বরাদ্দের বিল নিতে চাচ্ছেন না। তাদের দিয়ে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা তাদেরকে বিলের নিশ্চয়তা দিয়ে কাজ শেষ করার আহ্বান জানিয়েছি এবং তদারকি করছি। শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, নির্বাচন, অন্তর্বর্তী সরকার এবং নতুন সরকারসহ নানা কারণে বরাদ্দ ছাড় পেড়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় পরিদর্শনের পর বাস্তবতা অনুধাবন করেছেন। আমরা পিআইসিদের আশ্বাস দিয়েছি আগামী ১০ মার্চের মধ্যে তাদের বিল পরিশোধ করবো। তাদেরকে কাজ শেষ করতে আমরা বারবার বলছি। অনেকে কাজ করছেন। অনেকে করতে চাচ্ছেন না। তবে কাজ আদায়ের জন্য আমরা নানাভাবে তাদেরকে বলছি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স